Notice and Announcement

Call for Proposal (EPR) more...


Notice for Vendor Enlistment more...


ALOK -MJF Training Center Special Offer more...


Complain and Suggestion Box has been opened more...

Media Coverage Video Gallery Visual Gallery IDP Activity News & Event Vacancy FAQ Useful Website WebMail


.::News & Events::.

Citizen’s Conference 2017 SDG Implementation in Bangladesh  

Citizen’s SDG Conference to Give Voice
“No One to be Left Behind”
The Citizen’s Platform for SDGs, Bangladesh will hold a day-long conference titled “Citizen’s Conference 2017 SDG Implementation in Bangladesh” in the capital’s Krishibid Institution Bangladesh (KIB) tomorrow on Wednesday 6 December, 2017. The Conference is expected to be attended by high-level government officials as well as representatives of partner organisations, vulnerable groups of the society, civil society members, private sector professionals, and youths.
This was announced at a media briefing in Dhaka on 3 December 2017. The Platform’s Convenor Dr Debapriya Bhattacharya; Coordinator Ms Anisatul Fatema Yousuf; Core Group Members – Ms Shaheen Anam and Ms Rasheda K Chowdhury; and Dr Badiul Alam Majumdar, Country Director, The Hunger Project – Bangladesh, a Partner Organisation of the Platform; were present among others at the press briefing.
Dr Bhattacharya in his presentation mentioned three main objectives of the Conference. These are: to strengthen the voice of the marginalised communities in the SDG implementation, to make contribution of the non-state actors in delivery of SDGs visible, to explore further opportunities for government and non-government partnership in the development process.
He said that the expected outcomes of the day-long event will be enhanced awareness about the need to include marginalised communities and groups in the SDG process, strengthened bonding and coordination among the non-state actors including private sector in the context of the SDGs, bolstered development partnership between the government and NGOs, and a wider partnership among the government, NGOs and the private sector towards achieving the SDGs in Bangladesh.
The Conference will witness through launching of a research report titled “Independent Review Report on State of SDGs Implementation: Interpreting Leave No One Behind in the context of Bangladesh”, open discussion on challenges of SDGs delivery in Bangladesh, various issue-based sessions, release of an inspirational film on “No One to be Left Behind in Bangladesh”, an exhibition highlighting the role of the NGOs in implementing the SDGs, and a cultural function depicting the rich diversity of Bangladesh. The Conference will also adopt a Citizen’s Declaration 2017 putting forward some suggestions and demands.

60pc marginalised people victim of violence in 2016: study  

The country’s 60 per cent of the marginalized communities including dalits, sex workers and ethnic groups in the hills, fishing folks were victims of violence in 2016, many of them more than twice, according to a study report released in the capital Wednesday.
The study done by Manusher Jonno Foundation also reveals that 33.9 per cent of the marginalized respondent households interviewed said they were subjected to physical violence during the year in question.
With 61 per cent of the sex-workers suffering violence they took the 1st sloth last year.
‘State of the Marginalized in Bangladesh 2016: Experience of Marginalization, Exclusion and Rights Violation,’ the title of the study, found that the members of the majority community as well as the law enforcement agencies subjected marginalized people to physical and mental torture to evict them from their homes or settlements to grab their land.
According to the study, the marginalized groups were also intimidated and harmed for not voting candidates of the majority community in elections.
It found that the marginalized groups also faced other harassments including denial of participation in social and religious events and property inheritance.
Murder, abduction, raping, trafficking, property destruction and looting were among the other modes of violence faced by the marginalized people, the study said.
According to the study report 41 per cent of the marginalized households belonging to 16 marginalised communities in 18 districts complained that due to their low position in the society they were subjected to violence by the majority community reflecting their longstanding ignorance about the victims.
Over 63 per cent of marginalized people said that the mainstream people behave rudely with them. And 37 per cent marginalized people, the 2nd highest number of the respondent complained that the mainstream people’s violence emanated from their desire to show off their power.
According to the study marginalized people had limited access to employment opportunities with only 9.3 per cent of the dalit households in government service, that too mostly in ‘highly indecent jobs on low wages.’
According to the study, 93.42 per cent of the marginalized people were found earning their livelihood from informal sector jobs, notably fishing that offer the worst possible condition of work.
On an average, 35.89 per cent of the marginalized households suffer from perennial food shortage, almost round the year, while many of these households were found to suffer food deficit either round the year or particular times of the year.
Speaking at the launching of the study report, Manusher Jonno Foundation executive director Shaheen Anam said that the society’s influential people wanted to keep the marginalized people ‘powerless’.
Rights activist Sultana Kamal described the prevailing disparities as ‘man made problems.’
She said that it would be incorrect to say that the marginalized people were backward because they were being deliberately pushed behind. Shaheen Anam said that overcoming the situation required the mainstream people to change their mindset towards the marginalized populations. She demanded amending the related laws to protect and ensure the dignity and the rights of the marginalized populations as enshrined in the Constitution of the Republic.
The study called upon the government to ensure equal opportunities and justice for all the marginalized people. The study also urged the local and regional chapters of political parties and their activists to collect information about the state of the marginalized people and to fight for improving their lots.
It also recommended setting aside extra funds in the budget to address the health, education, food security and employment issues of the marginalized people.
National Human Rights Commission’s former Chairman professor Mizanur Rahman said disparities between the mainstream and the marginalized populations continue to plague the society even 46 years after Bangladesh clinched independence.
He accused the civil society of not working properly and for its failure to fight social injustice.
At the same function, Nagorik Uddyog chief executive Zakir Hossain demanded protection and ensuring the marginalized people’s right to education and reserving seats in the universities, colleges and other educational institutions for the dalits.

বাংলাদেশে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর মানুষের অবস্থা - ২০১৬  

প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর মানুষদের মধ্যে ২০১৬ সালে
সবচেয়ে বেশি নির্যাতিত হয়েছেন যৌনকর্মীরা
দেশে বসবাসরত প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর মানুষের মধ্যে প্রায় ৬০ শতাংশ মানুষ ২০১৬ সালে, গড়ে দুইবারেরও বেশি বিভিন্নধরণের সহিংসতার শিকার হয়েছেন বলে একটি গবেষণা প্রতিবেদনে উঠে এসেছে । এই প্রতিবেদনে আরো উল্লেখ করা হয়েছে যে, প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর মধ্যে প্রায় ৩৩.৯ শতাংশ পরিবারের সদস্যরা শারীরিকভাবে নির্যাতনের শিকার হন, এরমধ্যে সবচেয়ে বেশি নির্যাতিত হন যৌনকর্মীরা । এলাকার মূলধারার মানুষদের দ্বারা প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর মানসিকভাবে নির্যাতনের শিকার হওয়ার হার শতকরা ৩২.৩ ভাগেরও বেশি ।
গতবছর সবচেয়ে বেশি সহিংসতা, হয়রানি ও হুমকির শিকার হয়েছেন যৌনকর্মীরা, যার হার শতকরা ৬১ জনেরও বেশি । এরপরেই আছেন দলিত জনগোষ্ঠী এবং সমতল আদিবাসী পরিবারের অবস্থান। এই হার যথাক্রমে শতকরা ৪১.৬ ও ৩৯.৮ । শতকরা ৩৩.৬৭ ভাগ প্রতিবন্ধী পরিবার এই সহিংসতার শিকার । এরপর আছে পাহাড়ের আদিবাসী ও জেলে পরিবারের অবস্থান। এই প্রান্তিক জনগোষ্ঠীদের মধ্যে তুলনামলকভাবে কম সহিংসতার শিকার হয়েছেন ধর্মীয় সংখ্যালগিষ্ঠরা । এদের সংখ্যা শতকরা ২১.৭০ ভাগ ।
সংগৃহীত তথ্য-উপাত্ত থেকে দেখা গেছে অনেক সহিংসতা ও অপরাধের ঘটনা ধামাচাপা পড়ে গেছে শুধুমাত্র ভয়-ভীতি, পুলিশী ঝামেলা, ঘুষ প্রদানের অক্ষমতা ও কোন উপায় হবেনা, সাধারণ মানুষের মধ্যে প্রচলিত এরকম একটি ধারণা থেকে । প্রান্তিক জনগোষ্ঠী যে শুধু মূলধারার লোকদের দ্বারা নির্যাতিত হয়, তা নয়, আইন শৃংখলা বাহিনীর হাতেও তারা নির্যাতিত হয়ে থাকেন । এইসব নির্যাতন ও অধিকার হরণের তথ্য উঠে এসেছে মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন কর্তৃক প্রকাশিত ”স্টেট অব দ্যা মার্জিনালাইজড ইন বাংলাদেশ ২০১৬ : এক্সপিয়ারেন্স অব মার্জিনালাইজেশন, এক্সক্লুশন এন্ড রাইটস ভায়োলেশন ” শীর্ষক বইটিতে । এই বইটিতে বিভিন্ন প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর বর্তমান অর্থনৈতিক, সামাজিক ও রাজনৈতিক অবস্থা এবং মানবাধিকার পরিস্থিতি তথ্য-উপাত্তসহ তুলে ধরা হয়েছে। আজ ২৯ নভেম্বর, বুধবার ২০১৭ জাতীয় প্রেসক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে বইটির মোড়ক উম্মোচন করা হয় ।
মোড়ক উম্মোচন অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশনের সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক মিজানুর রহমান খান, মানবাধিকার সংগঠক এডভোকেট সুলতানা কামাল ও জাতীয় প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক, ফরিদা ইয়াসমিন । মানুষের জন্য ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক শাহীন আনাম অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন ।
মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন এর উদ্যোগে ৭টি বিভাগের ১৮ টি জেলার দুইহাজার খানার ( পরিবারের ) উপর তথ্য সংগ্রহ করে এই গবেষণা প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে । পরে এই গবেষণা প্রতিবেদনের উপর ভিত্তি করে বইটি প্রকাশ করা হয়েছে। প্রায় ৩০ শতাংশ উত্তরদাতা জানিয়েছেন যে তাদের পরিবারের সদস্যরা কাজের জায়গায় বৈষম্যের শিকার হয়েছেন নানাভাবে।
গড়ে শতকরা ১.৫৬ ভাগ উত্তরদাতা জানিয়েছেন তাদের পরিবারের নারী সদস্যরা ধর্ষণের শিকার হয়েছেন । এছাড়াও ২১.৯ শতাংশ পরিবারের সদস্যরা কোন না কোনভাবে যৌন হয়রানির শিকার হয়েছেন গত একবছরে । প্রান্তিক জনেেগাষ্ঠীর বিরুদ্ধে সংঘটিত অন্যান্য সবধরণের সহিংসতার চেয়ে যৌন সহিংসতার হার বেশি। অন্যান্য সহিংসতার মধ্যে রয়েছে জোরপূর্বক ঘরবাড়ি থেকে উচ্ছেদ, সম্পত্তির অধিকার থেকে বঞ্চিত, জায়গা-জমি দখল, হত্যা, মারধোর, জোরপূর্বক ভোট দেয়ানো, সামাজিকভাবে একঘরে করা, পাচার, কম দামে জিনিস বিক্রি ও বাজার পরিত্যাগে বাধ্য করা ইত্যাদি ।
গবেষণায় উঠে এসেছে যে, চলমান নির্যাতনের অংশ হিসাবে সমতল ও পাহাড়ের আদিবাসী, হিন্দু ধর্মাবলম্বী ও যৌনকর্মীরা সবচেয়ে বেশি উচ্ছেদ হুমকির মুখে ছিল গত একবছরে । সমতল আদিবাসীদের উপর এই অব্যাহত নির্যাতনের অন্যতম কারণ হচ্ছে এরা আদিবাসীদের মধ্যেও দরিদ্রতর এবং ধর্মীয়ভাবে সংখ্যালগিষ্ঠ । রাজশাহীর আদিবাসীরা গবেষণা চলাকালীন সময়ে জানিয়েছে, ২০১৬ সালে ১৫৪ টি সমতল আদিবাসী পরিবার দেশত্যাগ করতে বাধ্য হয়েছে এবং আরো ৪৪ টি পরিবার দেশত্যাগের প্রস্তুতি নিচ্ছে ।
মাত্র ৬.৫৮ শতাংশ প্রান্তিক জনগোষ্ঠী ফর্মাল সেক্টরে কাজে নিয়োজিত। জেলেদের অবস্থা সবচেয়ে খারাপ । তাদের জন্য চাকরির, বিশেষ করে সরকারি চাকরির সুযোগ খুবই কম। কাজ পায়না বলে এদের অবস্থান দরিদ্রসীমার নীচে । প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর শতকরা ৩৮.৭১ টি পরিবারের নিজের কোন জমি কিংবা একচিলতে উঠানও নাই । অথচ জাতীয় গ্রামীণ গড় সংখ্যা সেখানে ৯.৬ টি পরিবার। রেমিট্যান্স আয়ের ক্ষেত্রেও শতকরা ৭ ভাগ জাতীয় গ্রামীণ গড় আয়ের বিপরীতে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর আয় মাত্র ০.৩ শতাংশ । শতকরা ৩৫.৮৯ ভাগ প্রান্তিক মানুষকে সারাবছর জুড়েই খাদ্য সংকটে পড়তে হয় । অথচ জাতীয়ভাবে গ্রামীণ জীবনে এই হার গড়ে ১৯ শতাংশ । প্রতিবন্ধী মানুষ, সমতল আদিবাসী ও জেলেরা সবচেয়ে বেশি খাবারের কষ্টে ভোগে ।
গবেষণায় উঠে এসেছে যে ৬৩.৭ ভাগ প্রান্তিক মানুষ মনেকরে মূলধারার মানুষরা তাদের প্রতি ’খুব রুঢ় বা খারাপ’ ব্যবহার করে । ৭৯.৩ ভাগ সমতল আদিবাসী মনেকরেন যে তারা মূলধারার মানুষদের কাছ থেকে ’সবচেয়ে রুঢ় আচরণ’ পান । সবচেয়ে নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছে দলিতরা, এই হার ৭৪ শতাংশ । উত্তরদাতারা সবাই স্বীকার করেছেন যে বাংলাদেশে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ তাদের এবং তাদের পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা । বইটির উপর আলোচনা করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগ এর অধ্যাপক এএসএম আমানুল্লাহ এবং জাকির হোসেন, প্রধান নির্বাহী, নাগরিক উদ্যোগ ।

Rural Bangladeshis filming their way to better nutrition  

In Bangladesh, chronic and acute malnutrition are higher than the World Health Organization’s (WHO) thresholds for public health emergencies—it is one of 14 countries where eighty percent of the world’s stunted children live. Food insecurity remains a critical concern, especially in the Chittagong Hill Tracts (CHT).
Located in the southeastern part of Bangladesh, CHT is home to 1.7 million people, of whom, about a third are indigenous communities living in the hills. The economy is heavily dependent on agriculture, but farming is difficult because of the steep and rugged terrain.
With support from the South Asia Food and Nutrition Security Initiative (SAFANSI), the Manusher Jonno Foundation (MJF) conducted a food and nutrition analysis which finds that more than 60% of the population in CHT migrates during April – July when food becomes harder to procure.
Based on these findings, MJF helped raise awareness through nutrition educational materials and training. The foundation staff also formed courtyard theatres with local youth to deliver nutrition messages, expanded food banks with nutritious and dry food items, and popularized the concept of a “one dish nutritious meal” through focal persons or “nutrition agents” among these communities.

Creating videos for better nutrition
In a new SAFANSI II project that started in 2016, MJF has partnered with Digital Green to produce videos with local communities to encourage the consumption of nutritious foods, including indigenous foods, threatened by packaged food products with low nutritional value.

Through this low-cost participatory video production model, Digital Green has trained “nutrition agents” to produce short videos featuring local women discussing the benefits of healthy meals using indigenous foods to help mothers better feed their children.
So far, Digital Green has delivered several training sessions on video production and participants have developed 5 short videos as part of a practical exercise.
The goal is to reach 2,064 women and children in the Rangamati and Bandarban districts.
Digital Green disseminated the videos using battery-operated Pico projectors among small community groups and trained a mediator to facilitate discussions and records attendees’ feedback and questions.
Later, Digital Green introduced a customizable, open-source data management system, Connect Online Connect Offline (COCO), which users can access on and offline to enter data about video screenings and audience interests, feedback, and behavior change.
Five new short videos on pregnant mother nutrition, lactating mother nutrition, locally available nutritious food, sick children nutrition, and child nutrition have been produced based on local context and in different languages.
In one of the videos, a community health worker advises a family how to feed their 7-month-old baby nutritious foods.
The project will be completed in September 2018 and an impact assessment is planned to understand how Information and Communications Technologies can influence nutritional habits and practices in local communities.

Blog link : http://blogs.worldbank.org/endpovertyinsouthasia/rural-bangladeshis-filming-their-way-better-nutrition

Recognise rural women workers' contribution  

Speakers at a conference of rural agricultural workers yesterday urged giving proper recognition to the contribution of the country's female workforce.
Manusher Jonno Foundation and Karmojibi Nari jointly arranged the event at Garpara Association playground in Manikganj Sadar upazila marking International Day of Rural Women.
“All women are working women. They work both at home and outside. In the national agricultural economy, rural women play a significant role. There should be proper evaluation and recognition of their contribution,” Shirin Akhter MP, general secretary of Jatiya Samajtantrik Dal (JSD), said in her speech as chief guest.
“In terms of both quantity and importance, women's work is not less than that of their male counterparts. But it is not recognised. Even the women who contribute directly to agriculture are not generally considered as farmers,” said Shaheen Anam, executive director of Manusher Jonno Foundation.
Shaheen, who presided over the discussion, called upon all to come forward for protecting women's rights and stop violence against women.
Iquebal Hossain Khan, JSD's district unit president, Afsar Uddin Sarker, chairman of Garpara Union Parishad, Rokeya Rafique, executive director of Karmojibi Nari, Arif Hossain Liton, its district coordinator, and Champa Begum, president of Garpara Union Women Agricultural Workers' Right Implementation Committee, also spoke.
After the meeting, a colourful procession was brought out.
A fair with 15 stalls was also held, displaying agri-products including homemade cakes.
In the afternoon, food festival and rural sports were held. Gulshan Ara Begum, president of Manikganj district unit of Karmojibi Nari, presided over the function.
Singers of Dhanshiri Shilpi Goshthi rendered patriotic songs and artistes of Muktir Chhoan Nrityakala Academy performed dances at the function.

Equality through Dignity  

DUD Inter Hall Debate Competition 2017 held
Shaheed Sergeant Zahurul Haq Hall Debating Club is the Champion in the DUD Inter Hall Debate Competition 2017. Sir F. Rahman Hall is the Runner-up team.
Dhaka University Debating Society and Manusher Jonno Foundation jointly organized a week long Debate Competition on different issues related to “Equality through Dignity “. The final completion was held on 21 October at TSC auditorium between Shaheed Sergeant Zahurul Haq and Sir F. Rahman Hall.
The debates have been organized from 14 to 21 October, 2017. All the Debating Teams from the Residential halls of Dhaka University participated in the competition.
Manusher Jonno Foundation (MJF) initiated the Campaign titled “Equality through Dignity “ in 2014.

A press conference with Dhaka University Debating Society  

Manusher Jonno Foundation jointly organised a press conference with Dhaka University Debating Society today ( Sunday) at the office of Dhaka University Journalist's Association @ TSC. The Seven-Day long debate competition on the concept of MJF's Campaign " Equality through Dignity " 'will be held among DU Halls from today to 21 October.

মাদকাসক্তি ও পর্নোগ্রাফির কারণে বিকৃত নির্যাতনের শিকার শিশু  

গত বছর মোট ৩০৪ শিশু ধর্ষণের শিকার হলেও চলতি বছর নয় মাসে ৩৬৩ জন শিশু ধর্ষণের শিকার হয়েছে। ২০০৯ সাল থেকে ক্রমান্বয়ে শিশু নির্যাতন বাড়ছে। এর মধ্যে ২০১৬ সালে নির্যাতনের হার কিছুটা কমে এলেও চলতি বছর শিশু নির্যাতনের হার বেড়েছে উদ্বেগজনকভাবে। মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন এই প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। শিশু অধিকার ফোরামের প্রতিবেদনেও দেখা যায়- একই সময় ৪৪৩ জন শিশু ধর্ষণের শিকার হয়েছে। আইন ও সালিশ কেন্দ্রের প্রতিবেদনেও একই রকম চিত্র দেখা যায়।
সংশ্লিষ্ট বিজ্ঞজন বলছেন, মাদকাসক্তি ও পর্নোগ্রাফির বদলৌতে বিকৃত যৌন চাহিদার কবলে পড়ছে শিশু। আর শিশু আইন হলেও এর বিধিমালা হয়নি ৪ বছরেও। ফলে আইনের সুফল থেকে বঞ্চিত হচ্ছে শিশু। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বলছে, খসড়া বিধিমালা যাচাই-বাছাইয়ের জন্য আইন মন্ত্রণালয়ে আছে।
মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন-এর প্রতিবেদনে দেখা যায়, ধর্ষণের শিকার হয়ে উক্ত সময়ে মারা গেছে ১৫ শিশু। ধর্ষণের চেষ্টা করা হয়েছে আরো ৪০ শিশুকে। ধর্ষণের শিকার হওয়া শিশুদের মধ্যে ৩৫২ জন মেয়ে এবং ৭ জন ছেলে। বাকি ৪ জনের নাম ও লিঙ্গ পরিচয় পাওয়া যায়নি। পত্রিকায় প্রকাশিত খবরের ভিত্তিতে এই প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে সংস্থাটি।
প্রতিবেদনে সাত মাসের সঙ্গে নয় মাসের শিশু ধর্ষণের তুলনা করা হয়, তাতে দেখা যায়, গত ৭ মাসে ধর্ষণের সংখ্যা ছিল ২২৯ জন, মারা গেছে ৮ জন, ধর্ষণের চেষ্টা করা হয়েছিল আরো ২২ শিশুকে। ধর্ষণের শিকার শিশুদের মধ্যে ২২৩ জন ছিল মেয়ে এবং ২ জন ছেলে। অর্থাত্ গত দুইমাসে শিশু ধর্ষণের সংখ্যা বেড়েছে ১৩৪টি। ধর্ষণ চেষ্টার সংখ্যা বেড়েছে ১৮টি। ধর্ষণের শিকার মেয়ে শিশুর সংখ্যা বেড়েছে ১২৯ জন। ছেলে শিশুর সংখ্যা বেড়েছে ৫ জন। ধর্ষণ ছাড়াও যৌন হয়রানির শিকার হয়েছে ৬৮ শিশু। এরমধ্যে মেয়ে ৫০, ছেলে ২ এবং লিঙ্গ উল্লেখ করা হয়নি ১৬ জনের।
এছাড়াও ৮৮৪ জন শিশু হত্যা, নির্যাতন, আত্মহত্যা, এসিড সন্ত্রাস, পাচার, নিখোঁজ, অপহরণ ও বাল্য বিবাহের শিকার হয়েছে গত ৯ মাসে। সংস্থাটির শিশু সুরক্ষা কার্যক্রমের কর্মসূচি ব্যবস্থাপক আবদুল্লাহ আল মামুন সম্প্রতি নাটোরের মহাদেবপুর ও যাত্রাবাড়ির মাতুয়াইলে ঘটে যাওয়া শিশুধর্ষণ ও মৃত্যুর ঘটনাতে দুঃখের সাথে উল্লেখ করে বলেন, লক্ষ্য করছি শিশুর প্রতি সহিংসতার ঘটনা ব্যাপকহারে বেড়ে যাচ্ছে। তিনি বলেন, শিশু নির্যাতনের ঘটনা বেশি হচ্ছে নিম্ন আয়ের মানুষের মধ্যে। এই শ্রেণির মানুষের মধ্যে মাদকাসক্তির সংখ্যা বাড়ছে। পাশাপাশি হাতের মুঠোয় পর্নোগ্রাফি চলে আসায় তাদের বিকৃত যৌন চাহিদা সৃষ্টি হচ্ছে। সেই চাহিদা মেটানোর জন্য তারা শিশুকে বেছে নিচ্ছে, কারণ শিশুরা দুর্বল। দেখা যায়, দেশে সবচেয়ে বেশি যৌন নির্যাতনের শিকার হয় শিশু, তার পর নারী, কারণ তারা দুর্বল। শিশু অধিকার ফোরামের প্রতিবেদন মতে, ২০১৩ সালে শিশু নির্যাতনের ঘটনা ঘটে ১ হাজার ৩১৩টি, যা ২০১৪ সালে দাঁড়ায় ২ হাজার ১৯৭টি। ২০১৫ সালে ভয়াবহভাবে শিশু নির্যাতনের ঘটনা বেড়ে যায়। সে বছর নির্যাতনের নিষ্ঠুরতা দেখা যায়, প্রকটভাবে উক্ত সময় শিশু নির্যাতন হয় ৫ হাজার ২১২টি এবং ২০১৬ সালে ৩ হাজার ৫৮৯টি। শিশু অধিকার ফোরামের চেয়ারপারসন ইত্তেফাককে বলেন, সবচেয়ে আশঙ্কার বিষয় হচ্ছে শিশু নির্যাতন ও শিশু ধর্ষণের ঘটনায় মামলা হলেও অগ্রগতি কম। খুব অল্প কিছু ক্ষেত্রে অভিযুক্ত অপরাধী বিচারের আওতায় এলেও অধিকাংশই থেকে যাচ্ছে ধরা-ছোঁয়ার বাইরে। শিশুদের সামাজিক নিরাপত্তা কমে যাচ্ছে। শিশু নির্যাতন ও শিশু ধর্ষণের ঘটনা ভয়াবহ মাত্রায় বৃদ্ধি পাওয়ায় আমরা শঙ্কিত। স্পেশাল ট্রাইব্যুনালের আওতায় এনে এইসব অপরাধীর দৃষ্টান্তমূলক বিচার ত্বরান্বিত করা হোক। তিনি বলেন, ২০১৩ সালে শিশুর অবস্থার পরিবর্তনের জন্য শিশু আইন করে সমাজ কল্যাণ মন্ত্রণালয় আর মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় করে শিশুনীতি; কিন্তু আইনের বিধিমালা ও নীতির কর্মপরিকল্পনা না হওয়ায় সেই সুফল থেকে বঞ্চিত হয় শিশু। সমাজসেবা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক গাজী মোহাম্মদ নূরুল কবির বলেন, বিধিমালা আইন মন্ত্রণালয়ে যাচাই-বাছাই হচ্ছে। মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব নাসিমা বেগম বলেন, মন্ত্রণালয় শিশু কমিশন গঠনের ক্ষেত্রে অনেকদূর এগিয়েছে। আন্তঃমন্ত্রণালয়ে বিষয়টি নিয়ে বেশ কয়েকবার আলোচনা হয়েছে। শিশুনীতির নতুন কর্মপরিকল্পনার কাজও চলছে।

Inclusion of Women's Unpaid work in the GDP  

Shaheen Anam , ED, MJF discussing on "Inclusion of Women's Unpaid work in the GDP" at World bank Civil Society Forum, Washington DC. 13 October, 2017

363 children raped in nine months  

At least 363 children were raped and 15 of them died after rape in the last nine months since January, according to a report of Manusher Jonno Foundation (MJF).
Besides, 40 children became victims of attempted rape, 68 others faced sexual violence, said the survey, adding that most of the victims were females.
The non-government rights organisation prepared the survey based on news reports published in different media outlets from January to September, said a press release of MJF yesterday.
“The number of rape incidents was high in the last two months, as at least 134 such incidents were reported during the period,” said the release citing the report.
In addition, 884 children became victims of different types of violence, such as acid attack, abduction and child marriage, from January to September, it said, adding that many of them were murdered and committed suicide.
In the release, MJF expressed deep concern over the rising trend of violence against children and demanded exemplary punishment for the culprits. It also called upon the mass people to come forward and resist such crimes.
“The matter of concern that the progress of judgement procedure of the rape incidents is very slow, although cases are being filed regarding the incidents,” said MJF.
“Although few culprits could be brought under justice, many of them remained on the loose,” it said.
MJF demanded that the authorities concerned bring the cases under special tribunal to accelerate the judgement, said the release.

৯ মাসে ধর্ষণের শিকার ৩৬৩ শিশু  

চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ৩৬৩ শিশু ধর্ষণের শিকার হয়েছে। এরমধ্যে মারা গেছে ১৫ শিশু। ধর্ষণের চেষ্টা করা হয়েছে আরও ৪০ শিশুকে। এছাড়াও ৮৮৪ শিশু হত্যা, নির্যাতন, আত্মহত্যা, এসিড সন্ত্রাস, পাচার, নিখোঁজ, অপহরণ ও বাল্যবিয়ে হয়েছে।
সারাদেশে অব্যাহত শিশু নির্যাতনের ঘটনায় মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন ৬টি পত্রিকার ৩৪৮টি খবরের আধেয় বিশ্লেষণ করে এই তথ্য-উপাত্ত পেয়েছে। তাদের তথ্য অনুযায়ী, গত দুই মাসে শিশু ধর্ষণের শিকার হয়েছে ১৩৪টি। ধর্ষণ চেষ্টার সংখ্যা বেড়েছে ১৮টি। ধর্ষণের শিকার মেয়েশিশুর সংখ্যা বেড়েছে ১২৯। ছেলেশিশুর সংখ্যা বেড়েছে ৫ জন।
প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়,ধর্ষণ ছাড়াও যৌন হয়রানির শিকার হয়েছে ৬৮ শিশু, এরমধ্যে মেয়েশিশু ৫০, ছেলেশিশু ২ এবং লিঙ্গ উল্লেখ করা হয়নি ১৬ জনের।
ধর্ষণের শিকার শিশুদের মধ্যে ৩৫২ মেয়েশিশু এবং ৭ জন ছেলেশিশু। বাকি ৪ জনের নাম ও লিঙ্গ উল্লেখ করা হয়নি সংবাদে।
শিশু নির্যাতন ও শিশু ধর্ষণের ঘটনায় মামলা হলেও মামলার অগ্রগতি কম উল্লেখ করে মানুষের জন্য ফাউন্ডেশনের প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, খুব অল্প কিছু ক্ষেত্রে অভিযুক্ত অপরাধী বিচারের আওতায় এলেও অধিকাংশই থেকে যাচ্ছে ধরা-ছোঁয়ার বাইরে।
তারা মনে করে, বিশেষ ট্র্যাইবুনালের আওতায় এনে এসব অপরাধীর দৃষ্টান্তমূলক বিচার তরান্বিত করা জরুরি। সেইসঙ্গে সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষকে অপরাধ প্রতিরোধে এগিয়ে আসতে হবে।

International Day for the Universal Access to Information  

International Day for the Universal Access to Information...28 September...being celebrated throughout Bangladesh ---- Manusher Jonno Foundation actively participated in the event.

Our Campaign " Equality through Dignity " got support from our Honorable Prime Minister  

Our Campaign " Equality through Dignity " got support from our Honorable Prime Minister ---
DOMESTIC WORK — STILL INVISIBLE For most housewives or homemakers, the day begins before the sun rises. Again, at the end of the day, they are the last ones to go to sleep. In this time, her list of works to be done is very long: cleaning the household, cooking according to everyone’s likings, presenting the food, washing the clothes, caring the children, taking them to school and many more. But still, at the end of the day, they are sometimes rebuked by their husbands, “What do you do at home all day!”
When children are asked what their mother does, they answer without hesitation—my mother does not do anything. Domestic work is considered the day to day work of the housewife. This work is not evaluated separately—because they are without any pay, they do not have any transaction value.
If someone is hired for money to do the same works, then the work are considered as ‘work ‘. Through these activities, women, alongside men, are contributing to the family’s development, social prosperity and national economy, but their contribution receives no recognition. Doing the laundry, cleaning the house, cooking and providing care are not considered productive work.
But these household works are not appreciated. Work with low income is considered ‘women’s work’ and the productive household works are given almost no importance. But women, even staying at home, do productive work, handiwork, agricultural work, rearing domestic animals, running family businesses etc. The country does not recognize the work women do without any compensation either.
If a man’s primary source of income is vegetable cultivation, then it is included as part of the national wealth. Even if the vegetables, instead of being sold in the market, are consumed at home, it is included. On the other hand, if a woman produces something for domestic consumption, it is not included in any consideration; not unless it it is sold in the market.
Again, when the women take on the responsibility of education her children, it is not considered work either. But the same work, when done outside the household, it is given recognition—because it has financial value. The same work, because it is conducted inside the household, is valueless and without prestige. In this way, women’s work is ignored.
The United Nation suggests that homemakers do not do any work that has any economic value. Because of familial, social, cultural and religious dogma, the opportunities of education and skill development are so restricted for women, that it creates discrimination against women at work. Women are forced to keep limited to domestic work. If this social attitude towards women cannot be changed, if their role, responsibilities, contributions and works are not recognized, the desired level of national development can never be achieved.
Women have to bear the responsibility of 15 percent more work than men in the family.
The first seed for food production was planted by women. Of the 23 steps from the beginning to harvesting in rice production, women are involved directly in 17 steps. Women’s role in the nutrition and food security of the family remains unspoken.
Rural women spend 53 percent of the time in agriculture and industrial economic activities. But men only spend about 47 percent of the time in the same fields
Manusher Jonno Foundation (MJF) has been running a Campaign titled ‘Equality through Dignity ‘.
The objectives of the Campaign are ----
• To spread awareness among the common people, different professionals and policymakers about the contribution of women in the family, society and country.
• To recognize the work done by women, both paid and unpaid, in all sectors.
• To make clear how the reproductive role of women can be considered productive work.
• To give women their due respect in their personal and social lives through changing the prevalent beliefs about women.

Strengthen civil society institution to address combating gender based violence and build community resilience to adopt climate change program supported by Swedish international Development Cooperation Agency (SIDA)  

Manusher Jonno Foundation (MJF) has organized a three days orientation meeting for partner organization. An inaugural session of this meeting was held on 21 August 2017 at Hotel Orchard Suites, Dhaka under Strengthen civil society institution to address combating gender based violence and build community resilience to adopt climate change program supported by Swedish international Development Cooperation Agency (SIDA). Mr. Khandakar Rakibur Rahman, Director General of NGO Affairs bureau attended the meeting as the chief guest while Ms. Ylva Sahlstrand, second secretary (Human rights), Embassy of Sweden was present as the special guest. Shaheen Anam, Executive Director, MJF welcome the guests and participants and Dr. Shamim Imam, Director, MJF gave a short presentation on MJF and SIDA program. A total of 70 people from 17 partner organizations were present at the meeting.

Social Security for Dalits and Marginalised People  

Prothom Alo and the National Forum for Social Protection organised a roundtable titled “National Social Security Strategy: Inclusion of Dalits and Marginalised Communities” on March 30, 2017. The programme was supported by Manusher Jonno Foundation (MJF) and DFID. Here we publish a summary of the discussions. 
Shaheen Anam, Executive Director, Manusher Jonno Foundation

In Bangladesh, social security schemes are complicated as these programmes are distributed among various ministries. In 2015, the National Social Security Strategy (NSSS) of Bangladesh was approved in the cabinet under a social development framework. With the goal of streamlining the chaotic situation, the programme has brought all the social schemes of the government under one umbrella. The most important issue for us is the rights, equality and justice aspect, which this initiative will ensure.
It does not only cover the backward community but also other marginalised communities such as untouchables, sex workers and transgender communities. But there is always a gap between policy and implementation. However, the government is currently sketching the road map to implement the strategy. Manusher Jonno Foundation is implementing the civil society part of the SGSP project with its 12 associated organisations. We have established a National Forum for Social Protection (NFSP). Its main aim is to engage and ensure the communication between local level beneficiaries and government officials so that the problems and experiences can be shared with the authorities. We are using social accountability tools in this regard and piloting the Grievance Redress System (GRS). It has yielded a positive result.
Today, we are talking about inclusion and empowerment of Dalits and marginalised communities. They suffer due to harsh attitudes of the society towards them. We have drafted the 'Anti-Discrimination Act' to eliminate every form of discrimination. It has already been submitted to the Ministry of Law, Justice and Parliamentary Affairs. We urge the government to pass it in the upcoming parliamentary session. Our Constitution clearly speaks of equal rights and dignity for all. We urge the government to increase budgetary allocation to improve the condition of these marginalised communities. The government allocates huge funds for different social security projects. But there is a lack in monitoring of how these funds are spent. We need strong monitoring mechanisms to ensure proper distribution of these funds to the target population.

Khandakar Rezwanul Karim, Program Coordinator, Manusher Jonno Foundation

Dalit community in Bangladesh is neglected and deprived and the cause of this deprivation is enrooted in their identity at birth. We do not have any clear statistics about their number. According to the Social Welfare Ministry, however, there are 6.368 million Dalits in different districts of Bangladesh. We conducted a study on 2,000 households of seven marginalised communities and found that their access to social security programmes is only 7.31 percent while the national coverage rate is 24.57 percent. In the 2016-2017 budget, the total allocation in this sector was Tk. 45, 230 crore, which is 13.28 percent of the total budget. It is increasing gradually. The number of total beneficiaries of the social safety programmes is around 4.42 million people. The social security strategy follows a life cycle approach which covers all the aspects of a person's life. The Social Security Strategy paper 2015 is aimed at streamlining scattered projects into five clusters while demanding a special programme for them. The government has provided various quota facilities for candidates from the dalit communities.
In a recent study conducted by Manusher Jonno Foundation, we found that they face problems such as discrimination in being selected for benefits or getting services due to religious, ethnic and professional identities. Moreover, financial corruption, lack of representation of Dalits, lack of mobilization of the community and lack of adequate information about these communities.
We recommended that people from these backward communities should be included in the selection process of beneficiaries of the social security programmes. They should be given preferences in these schemes. In the implementation process of these programmes, the government can also involve NGOs. There should be massive campaign create awareness among the people of marginalised communities. There should be a grievance management system in place to address the sufferings of these people.

Nirmal Das, General Secretary, Bangladesh Horijan Oikya Parishad

The total number of Horijans in Bangladesh is around 1.5 million. We are socially ostracized. We do not get access to hotel and housing facilities. Most of the members of our community are engaged as cleaners. Unfortunately, our tradition job of cleaning is also being encroached upon by others. Though the current prime minister committed on a reservation of 80 percent quota for this community in cleaning works, it is not being implemented properly. A similar situation exists in social security programmes. Though there are quotas for Horijans in these programmes, they are largely deprived of it due to widespread corruption.
We have scant job opportunities in other sectors as well. Despite being qualified, our children do not get jobs due to their social identity. There should be a mass campaign to remove such social stigmas.
We applaud the government's decision to build housing facilities for sweepers of Dhaka city corporations. But there are some gaps in this project. Under this project, housing facilities will be provided only to permanent employees of the city corporations. So under this project, a large number of Horijan people will be left homeless. That's why when the plan was being prepared, representatives from our community should have been engaged.

Bikash Das, Project Coordinator, Paritran

Though our Constitution ensures equality for all, we do not see it in practice. There is no legal mechanism to address discrimination. In an incident in Keshabpur, the body of a member of the Risi community was not allowed to be cremated in the public crematory. There are also stories of students from the Dalit community being forced to clean toilets in a school. When we take these issues to Court, we do not get proper justice as there is no law regarding discrimination faced by these marginalised communities.
When we nominate candidates from our community for election, we face vehement opposition from the majority community. And still, we have successfully elected 11 UP members in the recent elections. Still we do not know the exact quota for dalits. Where will the students go if there is no reservation in the job sector for these people?
People of the Dalit community face various kinds of sexual harassment. This is worse in the rural area as they are scared to even speak about it.
We demand formation of a parliamentary caucus to discuss the problems faced by dalits. There should be reserve seats for Dalit communities in the parliament and specific mention about the Dalit community should be made in the Five-Year plan.
NIDs should include the professions of the Harijan and Dalit communities so that they can be identified easily.

Moni Rani Das, General Secretary, BDERM

We are landless people. If under the housing scheme the government provides us land we can repay the money in installments.
The situation of Dalit women is worse. There is high prevalence of child marriages in this community. Dalit women are also economically disempowered. There should be special schemes to address the plights of Dalit women. They should be given training on various skills.
We urge the government to pass the anti-discrimination law immediately. There should be reserved seats for women from our community in the Parliament so that we can voice our demands.

Adv. Ruhi Naz Subhan, Research Initiatives Bangladesh

We conduct participatory action research among the marginalised communities to have a clear idea about their concerns and to identify priorities. We found that though there are many good proposals in the paper there is little implementation of it at the grassroots level. Recently, I visited a remote village in Rangpur and found that there were only two toilets for 70 marginalised families in the area. When we talked to the local administration, they seemed completely unaware about the plight of this community. That's why we need to sensitise government officers and local government representatives about the rights of marginalised people.
We also need to empower the marginalised communities to raise their voice. We have to encourage them to use the RTI Act, as this will help ensure accountability and monitoring in the implementation of social security net projects.

Abdul Awal, Executive Director, NRDS, Member, National Forum for Social Protection (NFSP)


It is definitely an achievement to have a social security strategy to address the sufferings of marginalised communities. Despite efforts from the government and non-government organisations, a large number of marginalised people are deprived of social security facilities. There are also gaps in coordination among different social security projects. We urged the government to establish a single registry system for social security programmes. It will help avoid duplication and ensure proper distribution.
At the local level, local representatives control distribution of quota facilities. There is no accountability system in this process. There should also be a system through which marginalised people can apply for social security benefits. The list of the applicants and beneficiaries would be presented in a public forum. The government should also increase its allocation for social security programmes to three percent of the GDP.

Shafiqul Islam, Country Director, ADD International Bangladesh chapter, Member, National forum for social protection (NFSP)

There are also Muslims in Dalit community, who are often excluded from the discourse. We need to also consider these people when focusing on this issue.
We need to take this discussion to the local level and create awareness about the rights of the Dailt community.
There is also stratification among the marginalised community. People with disability among the marginalised community are treated even worse. We do not have exact data about their total number. We need disaggregated data to ensure proper targeting. Maybe we could conduct mapping of the Dalit community all over the country so that we can identify the concentration of these communities and focus on their specific problems.

Sanjib Drong, President, Indigenous Peoples Development Services (IPDS)

Special efforts should be made to empower the marginalised communities. We have been demanding for the adoption of a tribal policy for the indigenous communities of plain land for a long time. People from the community should be involved in formulating the policy. There should also be a separate land commission for them because the indigenous community mostly suffers from land related problems.
We have observed that government officers are often transferred to tribal areas as 'punishment'. As the officers lack compassion to the reality of indigenous people, it exacerbates the problem. We urge the government to change this practice and employ honest and sensitised officers in tribal areas.

Dr. Nazneen Ahmed, Senior Research Fellow, Bangladesh Institute of Development Studies (BIDS)

In my research, I always focus on the issue of Dalits, and that should be the case in all development research work.
We should include a chapter on communal harmony and elimination of discrimination in our school syllabus.
We now have a database at the upazila level. The list of beneficiaries should be uploaded in the database so that we can avoid corruption. There should be a quota in skill training centres because many marginalised students cannot even hope to study in higher educational institutions.
We have to also change our attitude toward marginalized communities, and this change starts from home.

Dr. Shantanu Majumder, Associate Professor, Dhaka University

The government has to take a political decision that the social security fund is not embezzled for political interest.
A research conducted showed that there is very little communication between students of the majority and minority communities. This needs to change. We should first focus on public universities to create awareness and sensitise students, as these young men and women are our future leaders.

Aroma Dutta, Executive Director, PRIP Trust


The discrimination suffered by marginalised communities often results into their economic disempowerment. The government should channel its funds to create economic opportunities for these people. Women from marginalised communities should be given priority when disbursing SME funds.
The rights issues of marginalised people should be included in our national curriculum. There should also be a parliamentary caucus to address the problems of marginalised communities.

Naved  Chowdhury, Poverty and Social Protection Adviser, DFID-Bangladesh 

We have provided training to many government officials in the last five years. I feel that we have to invest more in creating awareness and sensitising them, because if they do not treat every person equally, we will not be able to effectively implement our social safety net programmes. This initiative should come from the top level of the administration.
We also need an effective grievance mechanism system. There is provision for this in the A2I programme.
At the moment, I think the most pressing need is access to nutrition. I would urge the government to ensure that marginalised communities get proper nutrition.

Abu Mohammed Yusuf, Joint Secretary Director (Program), Social Welfare Department

We are trying to gradually increase the allocation for marginalised communities in the social security programme.
First, we need to change the mindset of the public. Under the guidance of the Cabinet Division, the social security strategy has clearly directed how we can work to achieving this goal. We cannot do it alone. I firmly believe that NGOs can help us achieve the goal.

Rasheda K. Choudhury, Executive Director, CAMPE , Convener, National Forum for Social Protection (NFSP)


It is an achievement that now we are more aware about the problems of the Dalit people. We need to do more, however, particularly when it comes to their inclusion in school curricula. We have included the issue in our teacher's training curriculum but have to do so in our civil administration training curriculum.
We have to expand stipend facilities for maginalised communities in the unreachable areas. Some NGOs are working there, but the government should allocate a budget for the project. The government should allocate more funds for the schools of marginalised people.

We further urge the government to increase funds for research in the social security sector, as we need disaggregated data on these communities.
The government should also finalise the policy for plain land indigenous people. We have to ensure participation of the marginalised community when preparing policies for them. This forum is fully agreed to support the government in this aspect.

M A Mannan MP, Honorable State Minister, Ministry of Finance and Planning


Recently, the ECNEC passed a proposal for a project submitted by the Mayor of Dhaka North City Corporation to build a multi-storied building for the cleaners of the city corporation, which would include a high school and playground for children. Thus, I believe we are in the right track.
I think that the RTI Act is an important tool and it should be used to make the marginalised communities aware about their legal rights.
I will definitely look into the concern of discrimination against these communities. Non-discrimination against marginalised communities is not an act of charity but rather their right.
We have to also strengthen our monitoring and research system so that we can correct our approach to tackling this issue. For this we could work with civil society members.
The government is expanding the mid-meal programme in schools to address nutrition issues of children, especially those belonging to marginalised communities. Moreover, I can assure that in the next budget, we will allocate more funds for socially excluded and marginalised people.

Abdul Quaiyum, Associate Editor, Prothom Alo

I want to thank all the discussants for their useful comments and recommendations. I hope the government will sincerely consider these suggestions. We believe that the government should allocate more funds for social security programmes. There should be strong collaboration between government and non-government initiatives in this regard. Media can also play a big role in creating awareness about the rights of Dalits and other marginalised groups.

নারীর সমমর্যাদা নিশ্চিতে মানসিকতার বদল জরুরি  

প্রতিটি ঘরে কিংবা সমাজে নারীর সমান মর্যাদা নিশ্চিত করতে চাইলে সবার মনোজগতে পরিবর্তন আনা জরুরি বলে মনে করেন দেশের নারীনেত্রী ও মানবাধিকার কর্মীরা। তাঁদের মতে, গৃহস্থালির কাজ শুধু নারীই নয়, করতে হবে পুরুষকেও।
একই সঙ্গে গৃহস্থালির কাজের আর্থিক মূল্য আলাদাভাবে বের করে জনসমক্ষে প্রকাশেরও দাবি জানিয়েছেন নারী নেত্রীরা। গতকাল সোমবার রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় ইস্ট ওয়েস্ট মিডিয়া কনফারেন্স রুমে দৈনিক কালের কণ্ঠ ও মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন আয়োজিত গোলটেবিল বৈঠকে উঠে আসে কুমিল্লার সোহাগী জাহান তনু হত্যাকাণ্ডের বিষয়টিও। গোলটেবিল বৈঠকে মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যানসহ নারী নেত্রীরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, এক বছর পেরিয়ে গেলেও এখন পর্যন্ত তনু হত্যার বিচার শুরু হয়নি। এখনো তদন্ত প্রতিবেদন জমা পড়েনি। জাতির জন্য তা অত্যন্ত লজ্জাজনক। বিয়ের বয়স নিয়ে সম্প্রতি সংসদে যে আইন পাস হয়েছে, সেটিরও কঠিন সমালোচনা করেন নারী নেত্রীরা। ‘মর্যাদায় গড়ি সমতা; পরিবর্তনে দৃপ্ত অঙ্গীকার’ শিরোনামের গোলটেবিল বৈঠক সঞ্চালনা করেন জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক ও কালের কণ্ঠ সম্পাদক ইমদাদুল হক মিলন। প্রধান অতিথি ছিলেন জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান কাজী রিয়াজুল হক। অলোচনায় অংশ নেন মানুষের জন্য ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক শাহীন আনাম, পিকেএসএফের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবদুল করিম, বিজ্ঞাপনী সংস্থা মাত্রার ক্রিয়েটিভ ডিরেক্টর ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব আফজাল হোসেন, ইউনিভার্সাল মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা. আশিষ কুমার চক্রবর্তী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাপচিত্র বিভাগের সহকারী অধ্যাপক জয়া শাহ্রীন হক, মানুষের জন্য ফাউন্ডেশনের প্রোগ্রাম কো-অর্ডিনেটর বনশ্রী মিত্র নিয়োগী, ব্র্যাক এডুকেশন প্রোগ্রামের কনসালট্যান্ট কামরুন্নেসা হাসান, সিপিডির রিসার্চ অ্যাসোসিয়েট শাহিদা পারভীন, বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য জলি তালুকদার, বাংলাদেশ নারী প্রগতির উপপরিচালক শাহনাজ সুমি, পর্বতারোহী এম এ মুহিত, বাংলাদেশ নারী সাংবাদিক কেন্দ্রের সভাপতি নাসিমুন আরা হক, পিকেএসএফের মহাব্যবস্থাপক হাসনাহেনা খান, বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় সদস্য মাহমুদা খাঁসহ অন্যরা।
গোলটেবিল বৈঠকে কাজী রিয়াজুল হক বলেন, বাংলাদেশের প্রথম সংবিধানেই সবার সমান অধিকার ও মর্যাদার বিধান করা হয়েছে। এখন এর কোনোটারই বাস্তবায়ন দেখা যাচ্ছে না। পরবর্তী সময়ে নারীর সমান মর্যাদা প্রতিষ্ঠায় আইন হলেও বাস্তবায়ন নেই। নারীর সমান অধিকার নিশ্চিতে জাতিসংঘ প্রণীত সিডিও সনদ বাংলাদেশ এখনো পুরোপুরি অনুমোদন করেনি, এর দুটি অনুচ্ছেদ এখনো ‘সংরক্ষণ’ রেখেছে। ওই দুই অনুচ্ছেদের একটিতে সম্পত্তিতে নারীকে সমান অধিকার দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। তিনি বলেন, সম্পত্তিতে সমান অধিকার না দেওয়া পর্যন্ত নারীর সমান মর্যাদা প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়। বিবাহের ক্ষেত্রে নারী এখনো একক সিদ্ধান্ত নিতে পারে না। সিডিওর বিষয়ে সরকার জাতিসংঘকে সম্প্রতি জানিয়েছে, এর সংরক্ষণ করা দুই অনুচ্ছেদে অনুমোদন দিতে সমাজ এখনো প্রস্তুত নয়। কাজী রিয়াজুল হক বলেন, শেখ হাসিনার সরকার আমলে নারীর অভুতপূর্ব উন্নয়ন এবং নারীরা ক্ষমতাবান হয়েছে। ফলে নারীর সমান মর্যাদা প্রতিষ্ঠায় সবার মানসিকতার পরিবর্তন জরুরি।
ইমদাদুল হক মিলন বলেন, নারীর বিভিন্ন অধিকার নিয়ে এখন আমরা কথা বলি। কিন্তু আমাদের ঘরের মধ্যে যে সমস্যাগুলো রয়ে গেছে, অনাদিকাল ধরেই নারীর যে মর্যাদা বা অবদান, তা অস্বীকৃতই রয়ে গেছে। এ ছাড়া সংসার, সামাজিক জীবন ও রাষ্ট্রীয় ক্ষেত্রে নারীর মর্যাদা বরাবরই উপেক্ষিত হতে দেখি। এ শতাব্দীতেও প্রতিদিন খবরের পাতায় নারীর ওপর নির্যাতন-সংক্রান্ত যেসব খবর আমরা দেখি, তা গা শিউরে ওঠার মতো।
তিনি বলেন, দৈনিক কালের কণ্ঠ শুরু থেকেই নারীর মর্যাদা প্রতিষ্ঠায় নানাভাবে কাজ করে যাচ্ছে। আগামী দিনগুলোতেও তা অব্যাহত থাকবে। ইমদাদুল হক মিলন বলেন, মানুষের পরিবর্তন হয় ঘর থেকে, চেতনা থেকে ও তার চারপাশ থেকে। আমাদের এই জায়গাগুলোতে সমস্যা রয়েই গেছে। তারপরও আশার কথা, অনেক মানবাধিকার সংগঠন নারীর সমান মর্যাদা প্রতিষ্ঠায় কাজ করে যাচ্ছে, লেখালেখি হচ্ছে। এর মাধ্যমে জনসচেতনতা তৈরি এবং পরিত্রাণের একটি উপায় বের হবে।
শাহীন আনাম বলেন, ‘দুঃখের সঙ্গে স্বীকার করতে হবে, সংসার বা সমাজে নারীর মর্যাদা পুরুষের চেয়ে কম। নারীর মর্যাদা পুরুষের সমান হলে, সমাজ ও সংসারে নারীরা এতটা বৈষম্যের শিকার হতো না। ’
বনশ্রী মিত্র নিয়োগী বলেন, ‘সব ক্ষেত্রে নারীর অবদান রয়েছে এবং অনেক ক্ষেত্রে উদাহরণ সৃষ্টি হয়েছে। কৃষি থেকে সরকারের উচ্চপর্যায় পর্যন্ত সব ক্ষেত্রে নারীর অবস্থান রয়েছে। নারী এত কিছু করলেও তার মর্যাদাপূর্ণ নিরাপদ পরিবেশ নেই। ’
আবদুল করিম বলেন, সবার সমান মর্যাদার কথা সংবিধানে বলা রয়েছে। আবার আইনও রয়েছে। এ কোনোটিরই বাস্তবায়ন নেই। এ ছাড়া নারীর সমান অধিকার বাস্তবায়ন-সংক্রান্ত জাতিসংঘের সিডিও সনদ বাংলাদেশ এখনো পুরো অনুমোদন করেনি।
আফজাল হোসেন বলেন, নারীর সমান মর্যাদা ও অধিকার বাস্তবায়নের প্রতিবন্ধকতা হিসেবে শুধু মৌলবাদকেই দায়ী করা ঠিক নয়। ৪৬ বছর ধরে একটু একটু করে সংস্কৃতিকে নির্বাসনে পাঠানো হয়েছে। এখন দোষ অন্যের ঘাড়ে চাপানো হচ্ছে। তিনি বলেন, নারী পরিস্থিতির উন্নয়ন ঘটেছে, একই সঙ্গে নতুন নতুন অনেক সংকটেরও সৃষ্টি হয়েছে।
শাহিদা পারভীন বলেন, পরিবার থেকে শুরু করে নানা ক্ষেত্রে নারী অবদান রাখলেও তা জিডিপিতে অন্তর্ভুক্ত হয় না। যেসব শ্রমের অর্থমূল্য লেনদেন করা যায়, শুধু সে সবই জিডিপিতে গ্রহণ করা হয়। নারীর সব শ্রমকে অর্থমূল্য ও মর্যাদা দিয়ে জিডিপিতে অন্তর্ভুক্তির দাবি জানান তিনি।
জয়া শাহরীন হক বলেন, নারী আসলে শক্তিশালী। রাজনৈতিক ও সামাজিক প্রেক্ষাপট নারীবান্ধব করতে পারলে, নারী অনেক কিছুই করতে পারবে।
ডা. আশিষ কুমার চক্রবর্তী বলেন, ’নারীরা অনেক ক্ষেত্রেই এগিয়ে যাচ্ছে। নারীর সমান মর্যাদা ও অধিকারের বিষয়টি পরিবার থেকেই আগে নিশ্চিত করতে হবে। ’ এম এ মুহিত বলেন, ‘নারীর সমান মর্যাদা প্রতিষ্ঠায় সবার মানসিকতা পরিবর্তন আবশ্যক। ’ নাসিমুন আরা হক বলেন, ‘উত্তরাধিকার আইনে সম্পত্তিতে সমান অধিকার নিশ্চিত না করা পর্যন্ত নারীর সমান মর্যাদা ও অধিকার প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়। ’

1,150 killed, 10,924 injured in 2016: report  

National Human Right Commission chairman Kazi Reazul Hoque addresses a programme at launching of a report on child abuse in the country organised by Manusher Jonno Foundation
At least 1,150 children were killed, 10,924 were injured and 69,614 were affected harmfully in the country in 2016, according to a report. Against the backdrop, only five political commitments were made against child abuse or for child rights by the politicians during 2016, showed the report which was prepared by non-government organisation Manusher Jonno Foundation.
The report was disclosed on Thursday at a programme at the National Press Club in the capital.
Addressing the programme,National Human Right Commission chairman Kazi Reazul Hoque said that the actual scenario could be more worse, because all the incidents were not reported.
The report showed that at least 1,875 incidents of child abuse were occurred in 2016, when 1,150 children were killed, 10,924 were injured physically and 69,614 were affected harmfully due to different types of abuse, negligence and maltreatment.
According to the report, in 2016, 214 children were murdered, 173 were killed in road accidents, 22 were killed after rape, 19 were found dead after abduction, 46 went missing and found dead, 80 committed suicide, 7 were killed in political violence, 13 died due to medical negligence, 4 were killed over child-marriage related issues, 11 were tortured, 3 were killed by children, 10 were killed due to negligence, 107 died due to cold in winter, one killed by human traffickers and 451 were killed in other accidents. Besides, 304 were raped, 45 were attempted to rape, 133 went missing, 38 were trafficked, 83 were subjected to child marriage, 408 were tortured, 1,536 suffered due to health-related negligence, 17 became victims of political violence, 4 were attacked with acid-throwing and 24 were sexually harassed.
Presenting the report, Manusher Jonno Foundation executive director Shaheen Anam said pervasive culture of injustice were one of the most important reason for the incidents of child abuse in the country.
She said the victims did not get justice in judicial process, which ultimately influence the unabated culture of child abuse.
National Human Right Commission chairman Kazi Reazul Hoque called the nongovernment organisations and rights activists to report the incidents of child abuse so that a pressure could be raised to the government.
He proposed for a dedicated child commission, which would deal with the child related issues.
Reazul called on the judiciary and law enforcement agencies to speedy trial of the child abuse cases.
He said delayed justice due to inaction of the government office bearers is also an offence.
The NHRC chairman criticised the government for lowering the marriage age below 18 in the new Child Marriage Restraint Act.
He called on the government to amend the law stipulating the ages – 18 years for girls and 21 years for boys – as minimum age for marriage.

শাসনব্যবস্থা ঠিক না থাকায় বৈষম্য সৃষ্টি হচ্ছে  

পার্বত্য চট্টগ্রামের রাজনৈতিক ও শাসনতান্ত্রিক ব্যবস্থা ঠিক না থাকায় সম্পদের ক্ষেত্রে বৈষম্য সৃষ্টি হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন জনসংহতি সমিতির সভাপতি জ্যোতিরিন্দ্র বোধিপ্রিয় (সন্তু) লারমা। গতকাল বুধবার দুপুরে রাঙামাটি শহরে পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত এক কর্মশালায় এ কথা বলেন তিনি।
সন্তু লারমা বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম আর আগের মতো নেই। কাপ্তাই হ্রদে তলিয়ে গেছে ভূমি। হারিয়ে গেছে সম্পদ। অস্বাভাবিকভাবে মানুষ বৃদ্ধি পেয়েছে। সম্পদ কমে যাওয়ায় বৈষম্য সৃষ্টি হয়েছে। তিনি বলেন, প্রয়োজনীয় খাবার সবাই পাচ্ছে না। মানুষ যে জিনিস পুষ্টি ভেবে খাচ্ছে, ভেজাল মিশিয়ে তা বিষে পরিণত করা হচ্ছে। এটি সারা দেশের চিত্র হলেও পার্বত্য চট্টগ্রামের অবস্থা আরও ভয়াবহ। এখানকার বাজার কারও নিয়ন্ত্রণে নেই। জনস্বার্থে স্বাস্থ্য বিভাগ কাজ করতে চাইলেও নানা জটিলতায় তা সম্ভব হচ্ছে না।
পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদের চেয়ারম্যান সন্তু লারমা আরও বলেন, পাহাড়ের জনগণের স্বাস্থ্য, স্যানিটেশন, পরিবেশসহ নানা ক্ষেত্রে বিভিন্ন এনজিও কাজ করছে। কিন্তু সব কাজ দৃশ্যমান নয়। মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন (এমজেএফ) ও সাউথ এশিয়া ফুড অ্যান্ড নিউট্রিশন সিকিউরিটি ইনিশিয়েটিভের উদ্যোগে খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপদ-বিষয়ক প্রকল্পের উদ্বোধন উপলক্ষে আয়োজিত এই কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন মানুষের জন্য ফাউন্ডেশনের প্রকল্প পরিচালক মো. শামীম ইমাম। বক্তব্য দেন চিকিৎসক বিনোদ শেখর চাকমা, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের ভারপ্রাপ্ত উপপরিচালক কৃষ্ণ প্রসাদ মল্লিক, আঞ্চলিক পরিষদের সহকারী নির্বাহী কর্মকর্তা সুপর্ণা চাকমা, উন্নয়ন সংস্থা সিআইপিডির নির্বাহী পরিচালক জনলাল চাকমা, চিকিৎসক দেবরাজ চাকমা, আশিকা মানবিক উন্নয়ন কেন্দ্রের নির্বাহী পরিচালক বিপ্লব চাকমা, উন্নয়নকর্মী লিনা লুসাই প্রমুখ।

পার্বত্য চট্টগ্রামে সম্পদ কমে যাওয়ায় বৈষম্য সৃষ্টি হয়েছে  

পার্বত্য চট্টগ্রাম আগের মতো আর নেই। কাপ্তাই হ্রদে তলিয়ে গেছে ভূমি। হারিয়ে গেছে সম্পদ। অস্বাভাবিকভাবে মানুষ বৃদ্ধি পেয়েছে। সম্পদ কমে যাওয়ায় বৈষম্য সৃষ্টি হয়েছে। পার্বত্যাঞ্চলে সমাজ, রাজনৈতিক, শাসনতান্ত্রিক ব্যবস্থার ঠিক নেই।
কথাগুলো বলেছেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদের চেয়ারম্যান জ্যোতিরিন্দ্র বোধিপ্রিয় (সন্তু) লারমা।
বুধবার বিকালে পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদের সভাকক্ষে মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন (এমজেএফ) ও সাউথ এশিয়া ফুড অ্যান্ড নিউট্রিশন সিকিরিউটি ইনিসিয়েটিভ (এসএএফএনএসআই) খাদ্য এবং পুষ্টি নিরাপদ বিষয়ক প্রকল্প শুরুর কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
সন্তু লারমা বলেন, পাহাড়ে বৈষম্য সৃষ্টি করা হয়েছে। প্রয়োজনীয় খাবার সবাই পাচ্ছেন না। কেউ পায় কেউ পায় না। মানুষ যে জিনিস পুষ্টি ভেবে খাচ্ছে সেখানে ভেজাল মিশিয়ে বিষে পরিণত করা হচ্ছে। এটি সারা দেশের চিত্র হলেও পার্বত্য চট্টগ্রামে এর অবস্থা আরও ভয়াবহ। এখানকার বাজার কারোর নিয়ন্ত্রণে নেই। জনস্বার্থে স্বাস্থ্য বিভাগ কাজ করতে চাইলেও নানান জটিলতা তা হচ্ছে না।
পাহাড়িদের এই নেতা বলেন, পাহাড়ের জনগণের স্বাস্থ্য, স্যানিটেশন, পরিবেশসহ বিভিন্ন পর্যায়ে বিভিন্ন এনজিও কাজ করছে। কিন্তু এগুলোর সবগুলো দৃশ্যমান নয়। তবে স্থানীয় এনজিও সিআইপিডি দুর্গম এখনো কাজ করছে তাদের সুনাম লোকমুখে শোনা যায়। জাতীয় পর্যায়ের এনজিওর মধ্যে মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন পাহাড়ের মানুষের জীবনধারার সাথে মিশে গিয়ে উন্নয়নের কাজ করছে।
কর্মশালায় সার্জন ডা. দেবরাজ চাকমা বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামে আদিবাসী জনগোষ্ঠীর মধ্যে শুটকি বেশ জনপ্রিয় একটি খাদ্য। কিন্তু এগুলো শুকানো এবং বাজারজাত করণে বেশি পরিমাণ ঔষধ স্প্রে করা হচ্ছে। ফলে পাহাড়ের আদিবাসীদের স্বাস্থ্য হুমকির মুখে পড়ছে। এগুলো পরীক্ষার জন্য বাজারে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা দরকার। পাশাপাশি জনসচেতনতা তৈরি করতে হবে।
ডা. বেবী ত্রিপুরা বলেন, পাহাড়ের দুর্গম এলাকায় গর্ভবতী নারী, শিশুরা পুষ্টিহীনতায় ভুগেন। এখানে সম্প্রদায়ভিত্তিক বিভিন্ন কুসংস্কার তৈরি করতে হবে। এগুলো দূর করে ভালোগুলো গ্রহণ করতে হবে।
কর্মশালার সভাপতিত্ব করেন এমজেএফ ড. শামীম ইমাম। অনুষ্ঠানে সিভিল সার্জন প্রতিনিধি ডা. বিনোধ শেখর চাকমা, জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের ভারপ্রাপ্ত উপ পরিচালক কৃষ্ণ প্রসাদ মল্লিক, আঞ্চলিক পরিষদের সহকারী নির্বাহী কর্মকর্তা সুপর্ণা চাকমা, এনজিও কর্মী জনলাল চাকমা, বিপ্লব চাকমা, লিনা লুসাই বক্তব্য দেন।

Learning Sharing Event on 'Experiences of Social Accountability and Prospects in Pro-poor Service Delivery'  

A Learning Sharing Event on ‘Experiences of Social Accountability and Prospects in Pro-poor Service Delivery’was held on 13 March 2017 at DPHE Conference Room. The event was organized by NGO Forum and supported by Manusher Jonno Foundation. Mr. Md. Manzurul Hannan, Director General, Department of Agricultural Extension, graced the event as the Chief Guest, Mr. Mahesh Chandro Roy, Director (Joint Secretary), Directorate of Primary Education, Ministry of Primary & Educationand Dr. Md. Faruk Ahmed Bhuiyan, Line Director, Directorate General of Health Services, Ministry of Health & Family Welfare were present as the Special Guests; while Ms. Shaheen Anam, Executive Director, Manusher Jonno Foundation (MJF) chaired the event.
It is mentionable that NGO Forum has been implementing a project titled ‘Sensitizing the Pro-poor Service Promotion Securing Rights and Governance (SPSRG)’ since October 2014 with the support of Manusher Jonno Foundation. The project mainly works for creating access of poor and marginalized groups to public services by promoting accountability of the duty bearers through using different social accountability tools i.e Community Score Card, Social Audit, Citizens’ Charter, Public Hearing, Participatory Selection Process (VGD beneficiary) etc. Through the project initiatives i.e networking, collaboration and interface between service providers and service recipients it has helped to promote social accountability and increase responsiveness from service providers’ end.

Visually impaired demand more Braille books on law  

People of all strata of life should extend their cooperation to the people with disabilities for ensuring their access to all social and government services, said discussants at a function yesterday. They are deprived of equal rights and facilities. So, changing of public mindset is very crucial for establishing rights of physically challenged people, said rights activists and government officials. They were speaking at the distribution ceremony of the books on 13 laws and policies of the government in Braille versions among the visually impaired people at the capital's Jatiya Press Club yesterday. Manusher Jonno Foundation, which works for promoting human rights and good governance, prepared the Braille version of the books and also distributed those to five organisations that work for visually impaired people. The organisations are –Dhaka University, Bangladesh Visually Impaired People's Society (BVIPS), Women with Disabilities Development Foundation (WDDF), Disabled Welfare Society and National Forum of Organisations Working with the Disabled (NFOWD). Social Welfare Additional Secretary Khandoker Atiar Rohman said the Braille versions will help the visually impaired people to know about their rights. The government may update the Rights and Protection of Persons with Disability Act, if necessary, to guarantee their rights further, he said. Manusher Jonno Foundation Executive Director Shaheen Anam said, “People with disabilities stumble in their life due to lack of equal opportunities and poor access to social services. But we want every person to get equal opportunity and enjoy equal rights.” “The Braille version of laws and policies will empower them,” she viewed. A visually impaired woman Nazma Ara Begum Popy, also joint coordinator of National Disability Forum, demanded that all the laws and policies of the government should be printed in Braille version. Harun-or-Rashid, another visually impaired person, demanded that the government should take necessary steps to make the information and technology related facilities more easily accessible for them. BVIPS President Saidul Huq chaired the ceremony, attended by representatives of different organizations working for people with disabilities.

A study on “Agricultural Production Practices in Chittagong Hill Tracts (CHT)”.  

Manusher Janno Foundation (MJF) and Human Development Research Centre (HDRC) conducted a study on “Agricultural Production Practices in Chittagong Hill Tracts (CHT)”. Professor Abul Barkat, PhD, Chief Advisor, HDRC has led the study. A study findings dissemination meeting was held on June 22, 2016 at the BRAC Centre Inn, Mohakhali, Dhaka.
Mr. Bir Bahadur Ushwe Sing MP, the Honorable State Minister, Ministry of CHT Affairs, Government of the People’s Republic of Bangladesh was the Chief Guest of the event, while the special guests were Professor Dr. Pradanendu Bikash Chakma, Honorable Vice Chancellor, Rangamati Science and Technology University, Rangamati Hill District and Mr. Naba Bikram Kishore Tripura ndc, Honorable Secretary, Ministry of Chittagong Hill Tracts Affairs, Government of the People’s Republic of Bangladesh. The two discussants of the event were Professor Mesbah Kamal, Department of History, University of Dhaka and Dr. Niaz Ahmed Khan, Professor, Department of Development Studies, University of Dhaka. The participants were the representatives from United Nations, International and national NGOs working in CHT, MJF partner NGOs implementing agriculture based livelihood projects in CHT, individual development practitioners, business enterprises such as AGORA super shop, Meena Bazar super shop and so on.
There was a good discussion in the meeting on current issues of CHT such as budget, food crisis including study findings and recommendation. The study report will be finalized based on the sharing meeting suggestions soon and it is on process.

Awareness Key to Ensuring Legal Right of Insolvents  

MJF-NLASO discussion on govt legal aid services told
Speakers yesterday underscored the need for creating awareness about government's legal aid services among insolvent people and victims so that none is deprived of legal assistance, a constitutional right.
Pointing out that a huge amount of government funds returns unused every year, they said the money would be utilised if people were aware of the services that included appointing lawyers, legal counselling, and mediation.
They were addressing a discussion titled "Partnership of Manusher Jonno Foundation in Quality Enhancement of Government Legal Aid Services: Success, Potential and Experience", organised jointly by...
Law Minister Anisul Huq said after the Union Parishad elections, the ministry would hold meetings with all elected union chairmen and members to make them aware of the legal aid services.
He also underscored the need for collective initiatives and effective enforcement of law to change people's mindset in filing false cases; otherwise the practice would result in doubling the case backlog in the country.
“In many instances, it is seen that cases are filed to harass. It does not matter what would it result; cases are filed to make one visit the court and instil a fear of imprisonment,” he said.
“I want to come out of that bad culture.”
The minister said, “If we can't come out of the evil practice, then the case backlog, which is now 30 lakh, will be 60 lakh. To reduce it to 15 lakh, we must get rid of this practice.”
Saying that filing of false cases is punishable by law, he said if the law was enforced more effectively, people's mindset would be changed.
Registrar General of the Supreme Court Syed Aminul Islam called upon people not to see legal aid services as a charity.
“Getting legal aid is a constitutional right of the insolvent people, and the government is constitutionally bound to provide the service,” he said.
He requested legal aid officers in every district who would mediate disputes at pre-case and post-case level.
He also urged the government to take necessary steps so that people in jail could talk to their lawyers to get legal aid, which is not practiced currently.
Law professor of Dhaka University Shahnaz Huda said the concept of legal aid should be spread to the grassroots level so that poor, underprivileged people and rape and acid victims could seek help.
They also unveiled a book "Legal Aid System in Bangladesh and International Context", written by Senior Judicial Magistrate Jasim Uddin.
The official said there were misconceptions among people about legal aid, and he addressed that in his book.
Executive Director of MJF Shaheen Anam said in many districts, there were no legal aid services, MJF was working in those districts to address the problem.
She said MJF was ready to cooperate with the government in constructive works.
Programme Coordinator of MJF Ruma Sultana highlighted the works done by the organisation in different districts.
She said MJF had carried out different activities to make the legal aid service committees active in 110 unions, 35 upazilas, and 17 districts.
In addition, MJF has held workshops to encourage panel lawyers, she added.
Joint Secretary (admin) of Law and Justice Division Bikash Kumar Saha presided over the discussion.

নারীর প্রতি সহিংসতাঃ যুগান্তকারী রায়ের সংকলন  

নারীর প্রতি সহিংসত বিষয়ক যুগান্তকারী রায় ঃ বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান বইটির দ্বিতীয় খন্ডে এই তিন দেশের সুপ্রীম কোর্ট ও হাইকোর্টে ২০০৬ থেকে ২০১২ পর্যন্ত সময়কালে প্রণীত নারীর প্রতি সহিংসতা বিষয়ক যুগান্তকারী রায়গুলোকে সন্নিবেশিত করা হয়েছে। বিচারপতি মোহাম্মদ গোলাম রাব্বানী বইটি সম্পর্কে বলেছেন, তাঁর জানামতে এরকম একটি সংকলন এই-ই প্রথম। এই বইটিতে যেসব মামলার কথা উল্লেখ করা হয়েছে তার মাধ্যমে উঠে এসেছে নারীর প্রতি সহিংসতা বিষয়ে বিচারিক ব্যাখ্যার বিভিন্ন ক্ষেত্র এবং কীভাবে বিচারব্যবস্থা এই ইস্যুটিকে বিভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে বিচার করেছে। সেই সাথে এও দেখো গেছে বিচারকরা সময়ের প্রয়োজনে কীভাবে তাদের দেয়া সনাতনী ব্যাখ্যাকে তারা নিজেরাই পরিবর্তন করেছেন। সময়ের সাথে সাথে অপরাধ ও অপরাধীর ধরণও পরিবর্তিত হয়েছে। অপরাধীরা ক্রমশ জটিল হয়েে উঠছে। এরকম জটিল বেশ কিছু ইস্যু কীভাবে বিচারকরা ফয়সালা করেছেন, তাও এখানে বিভিন্ন মামলার রায়ের মাধ্যমে উঠে এসেছে। নারীর প্রতি সহিংসতা বিষয়ক যুগান্তকারী রায় ঃ বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান বইটির দ্বিতীয় খন্ডের মোড়ক উন্মোচন করেন বাংলাদেশের মাননীয় প্রধান বিচারপ্রতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহা গতকাল (মঙ্গলবার) শহীদ শফিউর রহমান (সুপ্রীম কোর্ট বার) মিলনায়তনে। ঐ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন আপীল বিভাগের বিচারপতি জনাব নাজমুন আরা সুলতানা, জনাব সৈয়দ মাহমুদ হোসেন, জনাব ইমান আলী, ব্যরিস্টার আমিরুল ইসমাল এবং সিনিয়র এ্যাডভোকেট সিগমা হুদা। বইটির সার-সংক্ষেপ উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ সুপ্রীমকোর্টের সিনিয়র এ্যাডভোকেট ফৌজিয়া করিম ফিরোজ। সভাপ্রধানের দায়িত্ব পালন করেছেন মানুষের জন্য ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক শাহীন আনাম। মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন, নারীর প্রতি সহিংসতা বিষয়ক যুগান্তকারী রায়ঃ বাংলাদেশ ভারত, পাকিস্তান এই বইটি প্রকাশের উদ্যোগ গ্রহণ করে ২০০৪ সালে। কারণ এই বইটি বিচার বিভাগ ও আইন চর্চার সাথে যুক্ত প্রতিটি মানুষকে মামলা পরিচালনার ক্ষেত্রে রেফারেন্স বই হিসেবে ব্যবহারের ক্ষেত্রে সহায়তা প্রদান করবে। প্রথম প্রকাশনায় ১৯৭২ থেকে ২০০৫ সালের রায়গুলোকে অন্তর্ভূক্ত করা হয়। পরবর্তীতে আইনজীবী ও বিচারকদের সুপারিশের ভিত্তিতে বইটির দ্বিতীয় সংস্করণ করা হয়। এবং এরই ধারাবাহিকতায় ২০০৬-২০১২ সালের যুগান্তকারী রায়গুলোকে নিয়ে বই প্রকাশনার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়।

Launching of National Forum for Social Protection  

With the support from the UK and Australian government, Bangladesh has undertaken a programme titled Strengthening Government Social Protection for the Poor (SGSP) for reforming the country’s social protection system by enhancing its transparency and accountability. The programme will run from 2013 to 2017. Ministry of Finance and six other line ministries, and UNDP, WFP, WB and MJF are partners in the project.

National Forum for Social Protection (NFSP), has been formed to gather views of the beneficiaries about the effectiveness and impact of social safety and make policy recommendations to the government in order to improve its social protection programs. It is comprised of 44 individuals and organizations working on social protection issues.

National Forum for Social Protection was formally launched yesterday, Tuesday, at Hotel Lakeshore in Dhaka. State Minister for Women and Children Affairs Ms. Meher Afroze Chumki, MP was present as Chief Guest. Social Welfare Joint Secretary Nurul Kabir Siddique, Director General of Ministry of Disaster Management and Relief Mohammad Abdul Wazed and Country Representative of DFID- Bangladesh Sarah Cooke were present as special guests. Co- Convener, NFSP and Executive Director of Manusher Jonno Foundation Shaheen Anam chaired the programme.

In her address Chief Guest State Minister for Women and Children Affairs Ms. Meher Afroze Chumki MP said, frequent incidence of natural disaster, effects of climate change, political unrest and extensive unemployment rate continue to push people to severe vulnerabilities. In facing these challenges, social protection has been adopted as one of the major strategies for poverty reduction in Bangladesh. I hope that the extreme poor and the vulnerable can potentially lift themselves out of poverty with appropriately designed short to medium-term supports. The extreme dependent poor, who are old, disabled or chronically sick, will depend on long-term social protection to survive.

Special Guest Sarah Cooke said, “By gathering the views of the people it is intended to benefit and presenting those views to policy makers, the National Forum for Social Protection will play an important role in making Bangladesh’s social protection system work better for the poor.’’

Shaheen Anam said Manusher Jonno Foundation (MJF) is implementing the Civil Society component of SGSP, which to gather opinions of the poor people and feed it to policy level. NFSP is a national level citizens’ platform comprised of both individuals and organizations involved in social protection programs in indifferent capacities. Representatives of the local social protection forums are also the members of the national forum.

The civil society component of the program will be implemented by Manusher Jonno Foundation, a non-governmental organization which will get feedback from the poor on the reach, effectiveness and impact of different social protection schemes and use the evidence to improve governance in the sector. The project intends to initiate local level grievance mechanism on social protection services and bring grass root evidences, voice and opinions to the relevant authorities and national policy formulators as well.

Bangladesh spends around 2% of its GDP for social protection purpose; in FY 2013-14, Government spent Tk. 267 billion that reached to around 77 million peoplei through 100 (approx.) different projects. Improvements in terms of more accountability, transparency and proper targeting in the social protection schemes will increase proper utilization of the huge revenue funds that government is spending on it.

Ensure Effective Quality and Sustainable Services for Existing Safe Home  

নেপালের নাগরিক রত্না দেবী ফিরে যাচ্ছে নিজ দেশে মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন, সমাজ সেবা অধিদপ্তর এর ৮টি সেফ হোমে Ensure Effictive Quality and Sustainable Services for Existing Safe Home প্রকল্প বাস্তবায়নের কাজ করছে। বরিশাল সেফহোমে স্পিড ট্রাস্ট নামক বরিসালস্থ একটি প্রতিষ্ঠান কাজ করছে। মহিলা, শিশু-কিশোরী ও হেফাজতিদের নিরাপদ আবাসন কেন্দ্র, বরিশাল সেফহোমে ১লা জানুয়ারি ২০১৪ তারিখ থেকে রত্না দেবী চৌধুরী (৩৭) অবস্থান করছে। ভোলার তদন্ত কেন্দ্রের সাধারণ ডাইরি নং ৫৬৩ অনুসারে ভোলা আদালত তাকে বরিশাল সেফহোমে প্রেরণ করে। মানুষের জন্য ফাউন্ডেশনের সহযোগিতায় Ensure Effective Quality and Sustainable Services for Existing Safe Home প্রকল্পের আওতায় স্পিড ট্রাস্ট নামক বরিসালস্থ একটি প্রতিষ্ঠান নেপালের বেসরকারি মানবাধিকার সংস্থা মাইতি নেপাল এর সাথে যোগাযোগ করে এবং নেপালে তার প্রকৃত ঠিকানা খুঁজে বের করে। রত্না দেবী চৌধুরীর বিষয়টি কোর্টে উপস্থাপন করলে ১১ আগস্ট ২০১৪ ভোলা সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের আদালত রত্না দেবীকে নেপাল দূতাবাসের মাধ্যমে তার দেশে পাঠানোর ব্যবস্থা করার জন্য তাকে জামিনে মুক্তি প্রদান করেন। মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন, নেপাল দূতাবাসের সাথে যোগাযোগ করে বিষয়টি তাদেরকে অবহিত করলে দূতাবাস রত্নাকে দেশে পাঠানোর বিষয়ে সম্মতি প্রদান করে। আজ ১৬.১০.২০১৪ তারিখে আঁগারগাও সমাজ সেবা অধিদপ্তর, ঢাকা থেকে রত্না দেবী চৌধূরীকে নেপাল দূতাবাস কর্তৃপক্ষের নিকট হস্তান্তর করা হয়।

Round table on Highlighting Contribution of Women to Raise their Status  

The Daily Star and Manusher Jonno Foundation (MJF) will jointly organize a roundtable discussion titled “Highlighting Contribution of Women to Raise their Status” on September 10, 2014 as detailed above.

The objective of the roundtable is to build consensus among key stakeholders about the importance of evaluating women’s contribution and giving them the recognition they deserve.

In Bangladesh the contribution of women and their role in nation building has not been evaluated properly so far. Most of their work remains unaccounted for and therefore women do not get the respect and importance they should. Their most notable contribution which is still unrecognized is their work in the agriculture sector. Some study shows that if all of women’s work were accounted for then our GDP would be much higher.

Manusher Jonno Foundation, a national NGO working on women’s rights has started a campaign with 122 partner organizations titled “Morjaday gori Samata” (Equality through Dignity) to change society’s attitude towards women and see them in a more positive light by highlighting women’s contribution to nation building. The ultimate goal of the campaign is to reduce violence and discrimination against them.

MOU signing between MJF and Department of Social Service  

MJF is providing legal Aid, health including psychosocial counseling, skilled training and social reintegration support at safe home from 2008-2014. Upon successful completion Social Welfare Ministry allowed MJF to implement the program at eight safe homes from 2014-2016. In pursuance of this Memorandum of Understanding has been signed between MJF and Department of Social Service on Ensuring effective, quality and sustainable services of existing safe home on 31, August, 2014 to implement the program for next two years. Director General of Department of Social Services and Executive Director of MJF signed the MOU on behalf of respective organizations. Safe home is an interim accommodation for women victim and witness.

There are many achievement of safe home program:

•  Legal aid support has been provided to 412 inmates
•  409 inmates have been reintegrated socially
•  Equipment’s like woven, sewing machine has been provided to relevant inmates during reintegration. It helps a lot for social reintegration. Sewing machine has been provided to 20 inmates. There is also a follow up mechanism after reintegration.
•  Handover of Nepali inmates is under process: Due to constant effort home address of Nepali inmates( Barisal SH) has been identified for reintegration
•  Winter clothes and quilt has been distributed among safe home inmates.
•  Safe delivery has been ensured for 25 inmates
•  GO & NGO partnership and collaboration strengthened
•  Number of inmates have been able to attend at public examination
•  MJF has developed a soft ware so that data base of inmates may be developed, MJF and Department of Social Services may oversee the performance and services of eight safe homes through software.

MJF Celebrates International day for world Indigenous Peoples  

"Bridging the gap: Implementing the Rights of Indigenous Peoples” with this theme Manusher Jonno Foundation and its partners’ organization celebrated International day for world Indigenous peoples this year at Bangla Academy premises, Dhaka. Two-day long program was organized, which includes an indigenous fair, photo exhibition and seminars. The main event was inaugurated by Mr. Jyotirindra Bodhipriya Larma, Chairman of CHT Regional Council, while Mr. Mr. Rashed Khan Menon MP Honorable Ministers for Civil Aviation & Tourism join the program as the Chief guest and Advocate Sultana Kamal Executive Director of Ain-O- Salish Kendra, former Advisor to the Caretaker government as the special guest.. Shaheen Anam, Executive Director of MJF chaired the opening ceremony. The guests visited different stalls of fair and appreciated the participation of indigenous people from remote areas of the country.

Seminar on the history of anti Jum cultivation campaign in Bangladesh and political economics:

A Seminar on the above title was held on 9th August 2014 at Bangla Academy auditorium. Mr. Prashanta Tripura, anthropologist and researcher presented the key note paper. Among others, Professor Mesbah kamal, University of Dhaka, Mr. Pavel Partha, Researcher, Ms. Abonti Harun, Assistant Professor, University of Liberal Arts, Mr. Juam Liam Amlai, President, CHT forest and land rights and reserve Andolon were present the seminar as discussants. Dr. Shamim Imam, Director, MJF moderated the seminar.

Seminar on "Contribution of unrecognized works of women in Chittagong Hill Tracts: Conceptualization, Impact and Prospect"

A seminar on MJF’s ongoing study titled "Contribution of unrecognized works of women in Chittagong Hill Tracts: Conceptualization, Impact and Prospect" was held on 10 August at same venue. Dr. Ainoon Nahar, Professor of Anthropology Jahangirnagar University, the researcher of this study presented the key note paper. MJF’s Executive Director Shaheen Anam moderated the seminar and Ms. Tuku Talukder, Executive Director of Himawanti, Anna Minj, Director, Community Empowerment, Integrated Development, BRAC, Prof Naseem Akhter Hussain, the Government and Politics department of Jahangirnagar University and Mr.Sanjeeb Drong, General Secretary from Bangladesh Indigenous Peoples' Forum were join the seminar as discussants.

Indigenous Fair: Manusher Jonno Foundation (MJF) and its associate organizations arranged the fair. A total of33 Indigenous organization, from CHT and plain land and other national level NGOs participated in the fair. They displayed products used in their daily life which includes indigenous handicrafts, ornaments, foods and products from Jum cultivation. The fair attracted lots of visitors, which includes indigenous and nonindigenous people of the city.

Photo Exhibition on CHT accord: A remarkable photographic exhibition focusing on the “Chittagong Hill Tracts Accord” held at Bangla Academy premises. Some rare photographs of CHT accord, collected by Mr. Zhantu Chakma was displayed at the exhibition

Cultural event: A colorful cultural event was held in afternoon of 10 August at the Bangla Academy premise where the artists of different indigenous groups performed.

Signature campaign: A signature campaign was held at the fair premises to protest the violence against women and indigenous people killing in CHT and recent rape incidence on a plain land indigenous woman.

CHT Partner's Coordination meeting held at Srimangal  

A coordination meeting of Chittagong Hill Tracts partner organizations was held on 17-19 June 2014 at the conference room of “Bangladesh Tea resort”, Srimangal, Sylhet. Executive Directors and project Coordinators of sixteen partner and nine sub partner organizations, Director, Coordinator PM and DPM of CHT program-MJF participated at this meeting. Meeting objectives:
•  To discuss the progress of current project activities and financial management issues
•  To share the online reporting system and guideline
•  To discuss about partners’ role and responsibility in `Equality through Dignity campaign and International indigenous day program
•  To discuss about income tracking system for livelihood program and Future planning on MLE

Celebrating Child Labour Elimination Day  

All the Dhaka Based partners of Child Portfolio organized a vast program jointly to celebrate the Child Labor Elimination Day. More than 400 working children took part in this event, held on 16 June, 2014. The program went very well. The human chain, Art Competition and cultural events were very organized and effective. All the guests and children enjoyed the program.

Round table on “Land Digitalization: Prospect for Land Equality in Bangladesh”  

A roundtable discussion on “Land Digitalization: Prospect for Land Equality in Bangladesh” was held at Azimur Rahman Conference Hall of The Daily Star Bhaban on 29 April, jointly organized by Manusher Jonno Foundation, Uttaran and CARE. With the EU's financial support, the government is implementing the project in three upazilas -- Jamalpur Sadar, Manoharpur of Rajshahi and Amtoli of Barguna. Under the project, Khas land will be recovered after a digitised land survey in the upazilas. Then the land will be given to landless people. All land owners will receive a certificate from the land office. In most countries, people get all landrelated services, including that for land records and registrations, from a single office. But in Bangladesh, three offices provide the services, causing hassles to people. Land Minister Shamsur Rahman Sherif, who was present as the chief guest, said the government will go tough on land grabbers and corruption in the sector to ensure land rights of the marginal people. He said land grabbers are very powerful, and urged the civil society and non-government organizations to extend support to the government. Speaking as the special guest, Abdul Mannan, director general at the directorate of land records and survey, said land-related cases take years to resolve. Referring to his own experience, Mannan said his land-related case has been going on in court over the last 16 years. Indigenous people, Hindus, women, and owners of small plots of land are the worst sufferers and deprived of services at land offices. Around 2.5 crore land-related cases remain pending with the country's courts, and it will take about 2.7 crore years to settle those if the case proceedings continue at the current pace, according to eminent economist Prof Abul Barakat. “The land issue is a highly political one. The problems will not go away even if the land digitalization project is implemented,” Barakat, Professor of Economics at Dhaka University, said at a round-table discussion. Philippe Jacques, head of cooperation of the European Union Delegation to Bangladesh, said the land digitalization project is very crucial for Bangladesh, and they intend to expand their involvement in the land reform project. Sanjeeb Drong, secretary general of Bangladesh Forum for Indigenous People, described how indigenous people are deprived of land rights despite the government commitments to protecting their rights. Shamsul Alam, national project director of Strengthening Access to Land and Property Rights for All Citizens of Bangladesh, presented the key features of the pilot project. The project will help protect the land rights of marginal people. Shahidul Haque, director of Uttaran, gave a presentation on the Sustainable Access to Land Equality project that promotes digitalization of land records and survey in Bangladesh. Shaheen Anam, executive director of Manusher Jonno Foundation, chaired the discussion.

Child Victims Sexual abuses almost double  

The incidents of child rape in the country nearly doubled in the last year compared to those of the previous year, finds a report of Manusher Jonno Foundation  The report titled "Bangladesh Child Rights Situation-2013  "Moreover sexual harassment of children is also on the rise," said Abdullah Al Mamun, programme coordinator of MJF, while presenting the report at a press conference at the National Press Club on 3 April, 2014. "Of the 24 children, who fell victim to attempted rape, 19 received severe injuries. Another 183 children were sexually harassed and 136 of them were injured and two died while trying to save themselves from the perpetrator," he said. "The tradition of early marriage prevents us from considering a minor girl as a child," said Shahnaz Huda, governing board member of the MJF and chairperson of Dhaka University's Law Department. She held this perception of the society as a key reason behind the child rape incidents. "We need to change our social and individual perception of a girl," she observed.

Campaign launched to showcase women's contribution  

A campaign, “Morjadai Gori Somota” 

Inaugurating the campaign website www.shomanshoman.org.bd and declaring it open at the Osmani Memorial Hall, President Abdul Hamid said, “Time has come to change our perception of women's work and their contributions. Otherwise, we can't prevent discrimination and violence against women.“

 

Promoting human rights and good governance